Description
কাজী জৈব সার
কাজী জৈব সার বাম্পার ফলন প্রতিবার।
ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখে, ফলে পানি সেচ কম লাগে।
মাটির বিষক্রিয়া ও অম্লতা কমাতে সাহায্য করে।
রাসায়ানিক সার কম লাগে।
কাজী জৈব সার
বিভিন্ন ধরনের পচনশীল জৈব পদার্থ যেমন – মুরগির বিষ্টা, কাঠের গুঁড়া, ভুট্টার গুঁড়া এবং কার্যকরী অনুজীব একসাথে মিশিয়ে অনুজীব, ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক দ্বারা সংগঠিত জৈব পদার্থের পঁচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পঁচে যাওয়া জৈব পদার্থের মাধ্যমে কাজী জৈব সার উৎপাদন করা হয়। কাজী জৈব সার জাপানি ও কোরিয়ান প্রযুক্তিতে অটোমেটিক মেশিনে নিজস্ব প্ল্যান্টে উৎপাদিত হয়।
কাজী জৈব সার ব্যবহারের উপকারিতা:
উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও উৎপাদনের জন্য ৯টি মাইক্রো ও ৭টি ম্যাক্রো উপাদানের প্রয়োজন হয়। উদ্ভিদ মাটি থেকে এ উপাদানগুলো শিকড়ের মাধ্যমে গ্রহণ করে। দীর্ঘ দিন জমিতে ফসল উৎপাদনের ফলে এসব মাইক্রো ও ম্যাক্রো উপাদানের ক্রমবর্ধমানভাবে ঘাটতি হয়ে যাচ্ছে। এ ঘাটতি শুধুমাত্র রাসায়নিক সার ব্যবহার করে পূরণ করা সম্ভব না এবং তা পরিবেশসম্মতও নয়। কাজী জৈব সারে ১৬টি মাইক্রো ও ম্যাক্রো উপাদানের প্রায় সবগুলোই বিদ্যামান রয়েছে, যা ব্যবহার পরিবেশস্মমত ও দীর্ঘস্থায়ী।
কজী জৈব সার মাটির উর্বরতা শক্তিকে দীর্ঘস্থায়ী করে মাটির সুস্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে। ফলে মাটির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ে ও মাটি পুষ্টি সমৃদ্ধ হয়। কাজী জৈব সার মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মাটিকে নরম করে, ফলে মাটি কর্ষন সহজ হয়।
কাজী জৈব সার ব্যবহারে উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং এর ভিতরে অবস্থিত কার্যকরী অনুজীবসমূহ মাটিতে অবস্থিত জৈব পদার্থকে উদ্ভিদের খাদ্যে পরিণত করে। কাজী জৈব সার ব্যবহারে পর মাটিতে দীর্ঘদিন থাকে বিদায় ইহা উদ্ভিদরে খাদ্য ভান্ডার হিসবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।
জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে কোনো বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হলে কাজী জৈব সার উক্ত বিষক্রিয়া কমাতে সাহায্য করে। কাজী জৈব সার মাটির অম্লত্ব ও ক্ষারকত্বের মাত্রা সঠিক রাখতে সাহায্য করে।
কাজী জৈব সার ব্যবহারে জমি বা ফসলের কোন ক্ষতি করে না।
কাজী জৈব সার ফসল অনুযায়ী ব্যবহার মাত্রা ও পদ্ধতি:
ফসলের নাম
ধান, গম
৮-১০ মাত্রা (কেজি/শতক)
ভুট্টা, আখ,
৬-৮ মাত্রা (কেজি/শতক)
আলু, মূলা, গাজর, ঢেঁড়শ, বরবটি, কচু, হলুহ, আদা, পেঁয়াজ, রসুন, পান।
৮-১০ মাত্রা (কেজি/শতক)
প্রয়োগ সময় ও পদ্ধতি
জমি তৈরির শেষ চাষের সময় অর্ধেক পরিমান কাজী জৈব সার অন্যান্য রাসায়নিক সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন। বাকি অর্ধেক অন্যান্য রাসানিক সারের সাথে ২-৩ বার করে জমিতে প্রয়োগ করুন।
মরিচ, টমেটো, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি,
৮-১০ মাত্রা মাত্রা (কেজি/শতক)
প্রয়োগ সময় ও পদ্ধতি
অর্ধেক পরিমাণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় অন্যান্য রাসায়নিক সারের সাথে মিশিয়ে এবং বাকী অর্ধেক রোপণ গর্তে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করুন।
শিম, লাউ, পটল, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, শসা, করলা, ঝিংগা, চিচিংগা, কাকরোল, তরমুজ
১-২ কেজি/গর্ত
প্রয়োগ সময় ও পদ্ধতি
রোপণ গর্তে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করে ৭-৮ দিন পর বীজ বা চারা রোপণ করুণ।
ফলজ গাছ (লিচু, আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, কুল, কলা, পেঁপে, লেবু, জামরুল, সফেদা, সরিফা ইত্যাদি
১-২ কেজি/গর্ত
প্রয়োগ সময় ও পদ্ধতি
রোপণ গর্তে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করে ৭-৮ দিন পর চারা বা কলম রোপণ করুণ।
ফলবান বা বাড়ন্ত গাছ
১-২ কেজি/গর্ত
প্রয়োগ সময় ও পদ্ধতি
বর্ষা শুরুর আগে বা বর্ষার শেষে বা ফল আহরনের পর গাছের চারপাশে বৃত্তাকার নালা করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন।
চা বাগান
০.২৫-০.৫ কেজি/গাছ
প্রয়োগ সময় ও পদ্ধতি
রোপণ গর্তে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করে ৭-৮ দিন পর চারা রোপণ করুণ।











হাইব্রিড উচ্ছে শাহেনশাহ, করলা Hybrid Bitter Gourd Shahenshah (১০ গ্রাম)
Reviews
There are no reviews yet.