Description
সংক্ষিপ্ত বৈশিষ্ট্য
এ শিম গাছের লতা, পাতা, ফুল, ফল, শেকড় সব কিছুই খাওয়া যায়। কচি লতা-পাতা সুস্বাদু ও পুষ্টিকর শাক হিসেবে আর ফুল সালাদ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কোনো কোনো জায়গায় এর শুকনা পাতা গুড়ো করে চায়ের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
কামরাঙা শিমের বিবরণ
কামরাঙা শিম সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২০০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত জমিতে চাষ করা যায়। ভালো ফলন পেতে হলে শ্রাবণ মসে বীজ বপন করতে হবে। তবে ভাদ্র-আশ্বিন মাসেও বীজ বপণ করা যায়। সব ধরনের মাটিতেই এটা চাষ করা যায়, তবে বেলে-দোআঁশ মাটিতে এই শিম ভালো জন্মে। প্রচন্ড রোদ বা আধা ছায়া জায়গাতেও এটি চাষ করা যায়।
কামরাঙা শিমের ফলন:
ফল কচি থাকতেই সংগ্রহ করতে হবে নতুবা বয়স হয়ে গেলে খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে যাবে।সময় মত ফল সংগ্রহ করে গাছকে পাতলা করে দিতে হবে, তাহলে বার বার নতুন ফুল এসে ব্যপক ফলন হবে। শতকপ্রতি ১০০ কেজি কামরাঙা শিম পাওয়া সম্ভব।
সতর্কতা:
এ শিম গাছ খরা সহ্য করতে পারে, কিন্তু জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। তাই উচু জমি বা জমিতে ঢিবি করে বীজ বপন করা করতে হয়। কামরাঙা শিমের বীজ গজাতে ৫ থেকে ৮ দিন সময় লাগে।











বারুদ ৫ ডব্লিউ ডিজি (এমামেকটিন বেনজয়েট) প্রতি কেজিতে ৫০ গ্রাম Barud 5W DG (Emamectin Benzoate)
মোঃ আবু সাইদ খান –
আমার বাবার খুবি পছন্দের সবজি এই লতা সিম বা পাতা সিম কতো জাইগাতে বা কতো হাটে উনি পাঠিয়েছেন এই বিজের জন্য বাট কোথাও পাইনি। ২০০১ সালে ছিল আমাদের বাসাতে বাট তখন কোন বিজ রাখা হয়নি।
এটা শীতকালিন সবজি শীত যতো হবে ফুল ও ফল ততো বেশি পরিমানে আসবে।
এর ভর্তা ও ভাজি ব্যাক্তিগতো ভাবে আমার খুব পছন্দ বাট অনেকে নিরামিশ এর ভিতর বা ছোট মাছের সাথেও রান্না করে খেতে পছন্দ করে।
১০/২০ গ্রাম বিজ আমি নিতে চাই।
##তবে জানিনা এই সিজনে লাগানোর সময় আছে কিনা…..
Masuduj Jaman –
আমাদের সাইটে অর্ডার করেন বীজ পাবেন।
আলিফ মাহমুদ –
আমি কামরাঙ্গা শিমের বীজ অর্ডার করতে চাই
কিভাবে করবো
মো মোমিনুল ইসলাম –
কামরাংগা সিমের বীজ পেতে সাহাজ্য করুন