Description
সরিষার খৈল
- সরিষার খৈল সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও পরিবেশ বান্ধব এবং সেরা মানের জৈব সার।
- এই খৈল ব্যবহারের ফলে গাছ প্রয়োজনীয় ফসফরাসের জোগান পায়।
- উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন,পটাসিয়াম ও বিভিন্ন ম্যাক্রো ও মাইক্রো উপাদান বিদ্যমান থাকে।
- ব্যবহার ফুল, ফল এবং গাছের সঠিক মাত্রায় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
- অন্য কোন উপাদান মেশানো থাকেনা বলে এটি নিরাপদ।
- বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা যায় মাটির সাথে মিশিয়ে এবং তরল জৈব সার হিসাবে।
সরিষার খৈল ব্যবহারের নিয়ম
আমাদের বাড়ির আঙ্গিনায়, ছাদে কিংবা বারান্দাতে লাগানো গাছ এর ও মাঝে মাঝে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার প্রয়োজন হয়। গাছের জন্য হরলিক্স এর মতো কাজ করে থাকে সরিষার খৈল। খৈলে গাছের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ নাইট্রোজেন আছে।
সরাসরি মাটিতে ব্যবহার করার জন্য খৈল ভালোভাবে গুঁড়ো করে নিতে হবে। গাছের গোড়ার মাটি নিড়ানির মাধ্যমে রিং করে খুঁড়ে নিতে হবে। সরিষা খৈল গুঁড়ো ছোট গাছের জন্য, গাছের মূল থেকে ৩০সে.মি দূরে আর বড় গাছ হলে মূল থেকে ৬০ সে.মি দূরে এক চামচ সরিষার খৈল গুঁড়ো দিয়ে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
খৈল পচন করে ব্যবহার করতে পারলে সব থেকে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
খৈল পচন করতে পানিতে ৭ দিন ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং প্রতি দিন একবার কাঠি দিয়ে পচন পানি বা নিচের অংশ ভালো ভাবে মিক্সং করে দিতে হবে। এভাবে ৭ দিন হয়ে গেলে ১ লিটার পচন পানির সাথে ১০ লিটার পানি ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে গাছের গোড়াতে দিতে হবে।











বারুদ ৫ ডব্লিউ ডিজি (এমামেকটিন বেনজয়েট) প্রতি কেজিতে ৫০ গ্রাম Barud 5W DG (Emamectin Benzoate)
হাইব্রিড মূলা এক্সেল ৩৫ Hybrid Radish XL 35 (১০০ গ্রাম)
তেজি সলুবোর বোরন Teji Solubor Boron ( ১০০ গ্রাম )
কাজল –
লেখাটা পড়ে উপকৃত হলাম। আমি ভিজিয়েই গাছে যাচ্ছিলাম। আল্লাহ্ আপনার মঙ্গল করুক।